Showing posts with label Beximco. Show all posts
Showing posts with label Beximco. Show all posts

Thursday, 4 August 2016

Bangladesh greenlights three new power plants, including one of Beximco



Beximco will construct a power plant in association with a Chinese company in Gaibandha.

Two other Chinese firms are constructing another in Khulna while the other in Sylhet will be set up by a Bangladeshi company in partnership with a Japanese firm.


The Cabinet Committee on Government Purchase (CCGP) approved the proposals in a meeting chaired by Finance Minister AMA Muhith on Wednesday.

Cabinet Division’s Additional Secretary Mostafizur Rahman told reporters Beximco Power Limited and Xinjiang TBEA Sunoasis Co Ltd will set up a 200-megawatt solar power plant in Gaibandha.

The plant will supply power for 20 years and the government will buy each kilowatt-hour (kWh) at Tk 12, Rahman said.

Sun Solar Power Plant Ltd Bangladesh and Japanese Iki Shoji Company Limited will commission 5MW solar peaking power plant in Sylhet’s Goainghat.

It will sell electricity to the government at Tk 11.12 per kWh.

Chinese consortium Harbin Electric International Co Ltd and Jiangsu Etern Company Limited will build a 200-300MW power plant at a cost of Tk 23.7 billion, Secretary Rahman said.

He said another proposal to extend by six months the import of 250MW from India through its Power Trading Corporation was also cleared in the meeting.
source:http://bdnews24.com/economy/2016/08/03/bangladesh-greenlights-three-new-power-plants-including-one-of-beximco

Saturday, 30 July 2016

Salman F Rahman reelected as IFIC Bank chairman

Salman F Rahman has recently been reelected as the chairman of IFIC Bank.

Upon completion of his first term in the board of the bank, he was reelected as a director of the bank in its 39th annual general meeting held on July 14.

He is the vice chairman of Beximco Group, IFIC Bank said in a statement yesterday.

He was also the president of the Federation of Bangladesh Chambers of Commerce and Industry, the apex trade body of businesses in the country.

Tuesday, 7 June 2016

মহানবীর রওজা জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী

ঢাকা: মদিনায় মহানবী হযরত মোহাম্মদ (স.) এর রওজা মোবারক জিয়ারত করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
সোমবার (০৬ জনু) রাতে মসজিদে নববীতে ঈশা ও তারাবিহ আদায়ের পর বোন শেখ রেহানাসহ সফরসঙ্গীদের নিয়ে মহানবী হযরত মোহাম্মদ (স.) এর কবর জিয়ারতে যান প্রধানমন্ত্রী।
জিয়ারতের আগে প্রধানমন্ত্রী রওজা শরীফে দু’রাকাত নামাজ আদায় করেন। পরে তিনি মোনাজাতে অংশ নেন।

সোমবার বেলা ১১টার পর জেদ্দা থেকে বিশেষ প্লেনে মদিনায় আসেন প্রধানমন্ত্রী। মদিনায় তিনি মসজিদের নববীর পাশে হিল্টন হোটেল ওঠেন। তিনি মসজিদে নববীতে যোহর, আসর ও মাগরিবের নামাজ আদায় করেন। প্রথম রোজার ইফতারও তিনি মসজিদের নববীতে করেন।
এর আগে সৌদি আরব পৌঁছে পবিত্র ওমরাহ পালন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
সরকারি এ সফরে সৌদি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মাদ বিন সালমান বিন আব্দুল আজিজের সঙ্গে দ্বি-পক্ষীয় বৈঠক করেন শেখ হাসিনা।
বৈঠকে তাদের মধ্যে সৌদি আরবের সঙ্গে বাংলাদেশের শ্রমবাজার সম্প্রসারণ, দ্বি-পক্ষীয় ব্যবসা-বাণিজ্য, বিভিন্ন প্রকল্পে সৌদি সহযোগিতা বাড়ারো এবং হজ ব্যবস্থাপনার মতো বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।
শুক্রবার (০৩ জুন) মধ্যরাতে প্রধানমন্ত্রী তার বোন শেখ রেহানাসহ পরিবারের কয়েকজন সদস্য ও সফর সঙ্গীদের নিয়ে জেদ্দা থেকে মক্কায় পৌঁছান। হারাম শরীফের পাশে মক্কা গেস্ট প্যালেসে কিছুক্ষণ অবস্থানের পর তিনি সঙ্গীদের নিয়ে হারাম শরীফে যান।
প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গীদের মধ্যে রয়েছেন ছোট বোন শেখ রেহানা, কয়েকজন আত্মীয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রী এএইচ মাহমুদ আলী, মুখ্য সচিব আবুল কালাম আজাদ, পররাষ্ট্র সচিব শহীদুল হক, প্রেস সচিব ইহসানুল করিম, সামরিক সচিব মেজর জেনারেল মিয়া মোহাম্মদ জনলুন আবেদীন।
ব্যবসায়ীদের মধ্যে রয়েছেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সালমান এফ রহমান, এফবিসিসিআই সভাপতি আবদুল মাতলুব আহমাদসহ একটি প্রতিনিধি দল।
শনিবার (০৪ জুন) বিকেলে রিয়াদে বাংলাদেশ দূতাবাসের চ্যান্সারি কমপ্লেক্স ও বাংলাদেশ ভবন নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন তিনি।
মঙ্গলবার (০৭ জুন) সৌদি সময় সকাল সাড়ে ১০টায় মদিনার প্রিন্স মোহাম্মাদ বিন আব্দুল আজিজ বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা ককরবেন প্রধানমন্ত্রী। বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় তার ঢাকা পৌঁছানোর কথা।



Monday, 6 June 2016

কৃষি থেকে শিল্পে যাচ্ছি, আপনারা আসুন: সৌদি ব্যবসায়ীদের প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশ এখন কৃষিভিত্তিক অর্থনীতি থেকে শিল্পের দিকে যাচ্ছে জানিয়ে এদেশে বিনিয়োগের জন্য সৌদি ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

রোববার সকালে জেদ্দা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে এ আহ্বান জানান তিনি। বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের এ বিষয়ে জানান।
বাংলাদেশকে ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয় এবং ২০৪১ সালে উন্নত দেশে উন্নীত করার লক্ষ্যের কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, “আমরা ইতোমধ্যেই নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হয়েছি। লক্ষ্য অর্জনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।



“সৌদি বিনিয়োগকারী ও উদ্যোক্তা নেতাদের আমাদের দেশে বিনিয়োগ, ব্যবসা-বাণিজ্য, সমৃদ্ধি এবং লভ্যাংশের অংশীদার হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।”
সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমেই কোটি মানুষের জীবনমানের পরিবর্তন আসবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
বাংলাদেশের উদীয়মান শিল্প খাত যেমন- বস্ত্র, চামড়া শিল্প, পাট, সিরামিক, পেট্রো-কেমিকেল, ফার্মাসিউটিক্যালস, শিপ বিল্ডিং, কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ, প্লাস্টিক পণ্য, হালকা প্রকৌশল ও ইলেকট্রনিকস, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য-প্রযুক্তি, বিদ্যুৎ-জ্বালানি ও সমুদ্র সম্পদসহ বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগের আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। 

দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশ ‘সবচেয়ে উদার’ বিনিয়োগ নীতির দেশ মন্তব্য করে শেখ হাসিনা বলেন, আইন করে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের নিরাপত্তা, ট্যাক্স হলিডে, যন্ত্রপাতি আমদানিতে কর রেয়াত, রয়্যালটির রেমিটেন্স, অনিয়ন্ত্রিত প্রত্যাহার নীতি এবং লভ্যাংশ ও পুঁজি দেশে ফিরিয়ে নেওয়াসহ অনেক সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হচ্ছে।
এছাড়া তরুণ, পরিশ্রমী এবং তুলনামূলক স্বল্প বেতনে প্রশিক্ষিত জনশক্তি, স্বল্প খরচে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, ভারত, জাপান ও নিউজিল্যান্ডের বাজারে পণ্যের শুল্কমুক্ত ও কোটামুক্ত প্রবেশ সুবিধার কথা তুলে ধরেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিল্পসমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে তার সরকার দেশের বিভিন্ন স্থানে ১০০টি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল (এসইজেড) প্রতিষ্ঠা করছে এবং তথ্য-প্রযুক্তি শিল্পের জন্য একাধিক হাই টেক পার্ক নির্মাণ করা হচ্ছে।
“এসইজেড ও হাই টেক পার্কে বিনিয়োগকারীদের জন্য বিশেষ প্রণোদনা প্যাকেজ দেওয়া হচ্ছে।”
বাংলাদেশের অর্থনীতির অগ্রগতি তুলে ধরে তিনি বলেন, “জীবন-জীবিকার প্রয়োজননির্ভর কৃষিভিত্তিক রাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশ এখন একটি যন্ত্রনির্ভর, প্রক্রিয়াজাতকরণ, বৈচিত্র্য ও মূল্য সংযোজনের দেশে পরিণত হচ্ছে।”
শেখ হাসিনা বলেন, ক্রয় ক্ষমতার সক্ষমতার (পিপিপি) দিক থেকে বাংলাদেশ বিশ্বের ৩৭তম বৃহৎ অর্থনীতির দেশ।
“আমাদের অর্থনীতি বর্তমান বিশ্বের দ্রুত বর্ধনশীল পাঁচটি অর্থনীতির একটি।”
গোল্ডম্যান স্যাস বাংলাদেশকে ‘নেক্সট ইলেভেন’ এবং জে পি মরগ্যান ‘ইমার্জিং ফাইভ’ অর্থনীতির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার তথ্যও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।

গত সাত বছরে ৬ ভাগের ওপর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ধরে রাখা এবং রপ্তানি আয়, রেমিটেন্স ও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধির কথা সৌদি ব্যবসায়ীদের জানান তিনি।
বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে ২০১৪-২০১৫ অর্থবছরে বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল এক বিলিয়ন ডলার। এটাকে আরও বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।
বৈঠকে জেসিসিআইয়ের ভাইস চেয়ারম্যান মাজেন এম বাত্রিজি দুই দেশের বাণিজ্য বৃদ্ধির ওপর জোর দেন।
দুই দেশের বেসরকারি খাতের মধ্যে বাণিজ্য বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, “দুই দেশের মধ্যে বর্তমান ব্যবসার আকার যথেষ্ট না। এটা বাড়াতে হবে। এজন্য দুই দেশের ব্যবসায়ীদের একসঙ্গে কাজ করতে হবে, সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে।”
বিনিয়োগের সম্ভাবনা খুঁজতে জেসিসি থেকে ব্যবসায়ীদের একটা প্রতিনিধি দল বাংলাদেশে পাঠানো হবে বলেও জানান তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে বাংলাদেশ থেকে প্রকৌশলী, স্থপতির মত দক্ষ মানবসম্পদ রপ্তানির লক্ষ্যে সৌদি আরবভিত্তিক বাওয়ানি গ্রুপ এবং বাংলাদেশের সেনাকল্যাণ সংস্থার মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়। এতে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব আবুল কালাম আজাদ ও বাওয়ানি গ্রুপের মহাব্যবস্থাপক ফাকের এ আল-শাওয়াফ নিজ নিজ পক্ষে চুক্তিতে সই করেন।
বৈঠকে অন্যদের মধ্যে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এএইচ মাহমুদ আলী, বাংলাদেশের শিল্পোদ্যোক্তা সালমান এফ রহমানের নেতৃত্বে এফবিসিসিআই সভাপতি আব্দুল মাতলুব আহমাদসহ অন্যান্য ব্যাবসায়ী নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
source: http://bangla.bdnews24.com/economy/article1163053.bdnews

Thursday, 28 April 2016

পুরস্কার পেলেন ফারুক চৌধুরী ও শাহীন আখতার

আইএফআইসি ব্যাংক মিলনায়তনে গতকাল আইএফআইসি ব্যাংক সাহিত্য পুরস্কার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রদান করা হয় (বাঁ থেকে) ব্যাংকের এমডি সিইও শাহ সারওয়ার, সাহিত্যিক শাহীন আখতার, লেখক ফারুক চৌধুরী, অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, সালমান এফ রহমান, অধ্যাপক আনিসুজ্জামান আবুল খায়ের l প্রথম আলো২০১৪ সালের জন্য আইএফআইসি পুরস্কার পেলেন সাবেক কূটনীতিক ফারুক চৌধুরী লেখক শাহীন আখতার গতকাল শনিবার এক অনুষ্ঠানে দুই লেখকের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয় বই দুটো প্রকাশ করেছে প্রথমা প্রকাশন

ফারুক চৌধুরী তাঁর আত্মজীবনী জীবনের বালুকাবেলায় এবং শাহীন আখতার তাঁর উপন্যাস ময়ূর সিংহাসন-এর জন্য পুরস্কার পেয়েছেন প্রধান অতিথি হিসেবে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত লেখকদের হাতে পাঁচ লাখ টাকার চেক, একটি ক্রেস্ট সম্মাননাপত্র তুলে দেন তিনি বলেন, আইএফআইসি ব্যাংক সাহিত্য পুরস্কার অর্থমানের বিচারে দেশের সব থেকে বড় সাহিত্য পুরস্কার এই পুরস্কার সাহিত্যিকদের অনুপ্রাণিত করবে তিনি এই পুরস্কারের ধারাবাহিকতা গুণগত মান বজায় রাখার আহ্বান জানান সভাপতির বক্তব্যে ইমেরিটাস অধ্যাপক আনিসুজ্জামান বলেন, এই পুরস্কার সাহিত্যিকদের যে অনুপ্রেরণা দেবে তার স্থায়ী ফল ভবিষ্যতে পাওয়া যাবে
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বেঙ্গল গ্রুপের চেয়ারম্যান আবুল খায়ের বলেন, সাহিত্যক্ষেত্রে আইএফআইসি ব্যাংক প্রবর্তিত এই পুরস্কারটি অর্থ গুণমানের বিচারে ইতিমধ্যেই সম্মানজনক পুরস্কার হিসেবে স্বীকৃত হয়েছে স্বাগত বক্তব্যে ব্যাংকের চেয়ারম্যান সালমান এফ রহমান বলেন, ব্যাংক যত দিন থাকবে তত দিন এই পুরস্কার অব্যাহত থাকবে
পুরস্কারের প্রতিক্রিয়ায় ফারুক চৌধুরী বলেন, বৃদ্ধ বয়সেও পুরস্কারপ্রাপ্তি আনন্দদায়ক দীর্ঘ কর্মজীবন থেকে অবসর নেওয়ার পর তিনি লেখালেখি শুরু করেছেন তাঁর কূটনৈতিক জীবনের অভিজ্ঞতা এবং তাঁর জীবনকালে ব্রিটিশ শাসন থেকে পাকিস্তান এবং তারপর স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের গুরুত্বপূর্ণ পালাবদলের প্রক্রিয়ায় ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা, অনুভব তিনি বইটিতে তুলে ধরেছেন
শাহীন আখতার বলেন, উপন্যাসটিতে ব্রিটিশ ঐতিহাসিকেরা মোগলদের নিয়ে যে বিকৃত ইতিহাস রচনা করেছেন সেখান থেকে সরে এই উপন্যাসে ঐতিহাসিক সত্যকে তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন
পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন জনপ্রশাসনসচিব কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী, ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদার, আইএফআইসি ব্যাংকের পরিচালক অতিরিক্ত সচিব জামাল আহমেদ, সাবেক পরিচালক অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ আলি খান ধন্যবাদ জানান ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শাহ সারওয়ার
এর আগে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত পুরানা পল্টনে আইএফআইসি ব্যাংকের নবনির্মিত বহুতল করপোরেট ভবনেরও আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন